পাকুন্দিয়ায় পুলিশের ওপেন হাউজ-ডে অনুষ্ঠিত
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় পুলিশের ওপেন হাউজ-ডে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে পাকুন্দিয়া থানার হলরুমে এই ওপেন হাউজ-ডে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জেলা পুলিশ, কিশোরগঞ্জ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) ড. এস এম ফরহাদ হোসেন।
অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য প্রদান করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শরিফুল হক।
পাকুন্দিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম আরিফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন-পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রূপম দাস, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আহাম্মদ আলী, উপজেলা বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক তৌফিকুল ইসলাম, আতিকুর রহমান মাসুদ, আবদুল কদ্দুছ, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার, সেক্রেটারি আনম আব্দুলাহ মোমতাজ, পাকুন্দিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি এসএএম মিনহাজ উদ্দিন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার (এসপি) ড. এস এম ফরহাদ হোসেন উপস্থিত সর্বসাধারণের সঙ্গে থানা এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মুক্ত আলোচনা করেন। মুক্ত আলোচনায় উপস্থিত লোকজন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিষয়ে তাদের জিজ্ঞাসা উপস্থাপন করলে পুলিশ সুপার (এসপি) ড. এস এম ফরহাদ হোসেন বলেন, জনসাধারণ হলো পুলিশের শক্তির প্রধান উৎস। আর তাই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গঠনে গণতান্ত্রিক নির্বাচনী ধারাবাহিকতা রক্ষায় কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর এবং গণতান্ত্রিক ক্ষমতায় বিশ্বাসী জনগণকে সাথে নিয়েই নির্বাচনের গতি বেগবান করতে সার্বিক সহযোগিতায় বাংলাদেশ পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত।
এই সময় তিনি এলাকায় সর্বসাধারণকে কোন প্রকার সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় কিনা, আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ে কারো কোন অভিযোগ আছে কিনা, কাউকে অযথা পুলিশ হয়রানির শিকার হতে হয় কিনা, মাদক, চাঁদাবাজ, দুষ্কৃতকারীদের উৎপাত আছে কিনা তা নিয়েও মুক্ত আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত জনসাধারণ তাদের সমস্যার কথা তুলে ধরলে পুলিশ সুপার (এসপি) ড. এস এম ফরহাদ হোসেন অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের ব্যাপারে আশ্বস্ত করেন।
কিশোরগঞ্জ পুলিশ জনগণের জানমালের রক্ষায় নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আইনের শাসন জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য এই ওপেন হাউস-ডে এর প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম আর তার লক্ষ্যেই আজকের এই অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন-বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, গণমাধ্যম কর্মী ও থানা পুলিশের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন।
