কিশোরগঞ্জের ৬টি সংসদীয় আসনে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ, নির্বাচনী মাঠে নামছে প্রার্থীরা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে প্রার্থীদের মধ্যে এইসব প্রতীক বরাদ্দ দেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা।
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ–১ (কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর উপজেলা) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম পেয়েছেন ধানের শীষ প্রতীক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হেদায়াতুল্লাহ হাদী রিকশা প্রতীক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মো. এনামুল হক কাস্তে প্রতীক, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ প্রার্থী মো. মাসুদ মিয়া মই প্রতীক, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) প্রার্থী আলাল মিয়া কাঁচি প্রতীক, খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আহমদ আলী দেয়াল ঘড়ি প্রতীক, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) প্রার্থী তারেক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম আম প্রতীক ও একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রেজাউল করিম খান পেয়েছেন মোরগ প্রতীক।
কিশোরগঞ্জ–২ (কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া উপজেলা) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দীন ধানের শীষ প্রতীক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীক, গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম ট্রাক প্রতীক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আবুল বাসার রেজওয়ান হাতপাখা প্রতীক, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন টেলিভিশন প্রতীক, জাতীয় পার্টি-জেপি প্রার্থী মো. আফজাল হোসেন ভূঁইয়া লাঙ্গল প্রতীক, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আনিসুজ্জামান খোকন ময়ূর প্রতীক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী নুর উদ্দীন আহমেদকে দেওয়া হয়েছে মোটরসাইকেল প্রতীক।
কিশোরগঞ্জ–৩ (করিমগঞ্জ ও তাড়াইল উপজেলা) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রার্থী ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক ধানের শীষ প্রতীক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী জেহাদ খান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আলমগীর হোসাইন হাতপাখা প্রতীক, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. আবু বক্কর ছিদ্দিক লাঙ্গল প্রতীক, গণতন্ত্রী পার্টির দিলোয়ার হোসাইন ভূঁইয়া কবুতর প্রতীক, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম আম প্রতীক ও একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী একেএম আলমগীর পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক।
কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলা) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রার্থী মো. ফজলুর রহমান ধানের শীষ প্রতীক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. রোকন রেজা শেখ দাঁড়িপাল্লা প্রতীক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী বিল্লাল আহমেদ মজুমদার হাতপাখা প্রতীক, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) প্রার্থী জয়নাল আবদিন আম প্রতীক, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থী নুরুল ইসলাম আপেল প্রতীক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী খায়রুল ইসলাম ঠাকুর রিকশা প্রতীক, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহীন রেজা চৌধুরী ঘোড়া প্রতীক ও স্বতন্ত্র একমাত্র নারী প্রার্থী কাজী রেহা কবির পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক।
কিশোরগঞ্জ–৫ (নিকলী ও বাজিতপুর উপজেলা) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদা ধানের শীষ প্রতীক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. রমজান আলী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ দেলাওয়ার হোসাইন হাতপাখা প্রতীক, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. মাহবুবুল আলম লাঙ্গল প্রতীক, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের প্রার্থী মো. সাজজাদ হোসেন হারিকেন প্রতীক, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী মো. অলি উল্লাহ মোমবাতি প্রতীক, স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল হাঁস প্রতীক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এ এইচ এম কাইয়ুম (হাসনাত কাইয়ুম) হরিণ প্রতীক পেয়েছেন।
কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব ও কুলিয়ারচর উপজেলা) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রার্থী মো. শরীফুল আলম ধানের শীষ প্রতীক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ মুছা খান হাতপাখা প্রতীক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আতাউল্লাহ আমীন রিকশা প্রতীক, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ আয়ুব হুসেন লাঙ্গল প্রতীক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ হাবিল মিয়া কাস্তে প্রতীক, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম আম প্রতীক, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী মো. রুবেল হোসেন মোমবাতি প্রতীক, গণ ফোরামের প্রার্থী শাফি উদ্দিন আহাম্মদ উদীয়মান সূর্য প্রতীক ও ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থী নাঈমুল হাসান আপেল প্রতীক পেয়েছেন।
এদিকে প্রার্থীরা প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে নির্বাচনী মাঠে নামছেন। তাদের কর্মী ও সমর্থকরাও প্রস্তুতি নিয়েছেন। এখন নির্বাচনী এলাকায় ভোটের রাজনীতি পুরোদমে শুরু হবে-এমনটা মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
