গোপালগঞ্জে-১ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রতিদ্বন্দীদের সাথে আচরণবিধি নিয়ে মতবিনিময়

শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী) আসনের প্রতিদ্বন্দিতাকারী প্রার্থীদের সাথে আচরণবিধি সংক্রান্ত বিষয়ে ২২ জানুয়ারী বিকাল সাড়ে ৩ টায় উপজেলা পরিষদের বিজয় সভাকক্ষে মুকসুদপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এক মত বিনিময়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটানিং কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবিরের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় মুকসুদপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ আবুল হাছনাত,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: রায়হান ইসলাম শোভন, মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ- আল-মামুন উপজেলা নির্বাচন অফিসার নুরু আমিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনিত প্রার্থী মোহাম্মাদ মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মনোনিত প্রার্থী অধ্যাপক নীরদ বরন মজুমদার,বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সেলিমুজ্জামানের প্রতিনিধি উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম শরীফসহ বিভিন্ন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের প্রতিনিধিগন উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটানিং কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবির বলেন, প্রচার সামগ্রীতে প্রার্থীর প্রতীক ও নিজের ছবি ছাড়া অন্য কারও ছবি ব্যবহার করা যাবে না। প্রার্থীর ছবি হতে হবে পোর্ট্রেট আকারে এবং এর সর্বোচ্চ আয়তন ৬০ সেন্টিমিটার বাই ৪৫ সেন্টিমিটার নির্ধারণ। নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীরা কেবল দলীয় প্রধানের ছবি ব্যবহার করতে পারবেন। নির্বাচনী প্রচারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করা যাবে। তবে প্রচার শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট পেজ,অ্যাকাউন্ট আইডি ও ই-মেইলসহ শনাক্তকরণ তথ্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে। এছাড়া অসৎ উদ্দেশ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আচরণবিধিতে ঘৃণাত্মক,মিথ্যা ও বিকৃত তথ্য প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নারী, সংখ্যালঘু কিংবা কোনো জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বা আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করা যাবে না। গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হলে তা নির্বাচনী অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। নির্বাচনি প্রচারে বাস, ট্রাক,নৌযান, মোটরসাইকেলসহ যান্ত্রিক বাহন নিয়ে মিছিল, শোডাউন কিংবা মশাল মিছিল নিষিদ্ধ। রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রে দলীয় প্রধান ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া অন্য কেউ হেলিকপ্টার বা আকাশযান ব্যবহার করতে পারবেন না। ভোটার স্লিপে প্রার্থীর নাম,ছবি বা প্রতীক উল্লেখ করা যাবে না। পাশাপাশি তোরণ নির্মাণ ও আলোকসজ্জাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তির বিধান রেখেছে নির্বাচন কমিশন। কোনো প্রার্থী বা দল বিধি ভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড, দেড় লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া হতে পারে। গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতাও ইসির হাতে রয়েছে।


শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত