পটুয়াখালীতে সংরক্ষিত মহিলা আসনে লায়লা ইয়াসমিনকে এমপি চান বিএনপি নেতাকর্মীরা
পটুয়াখালী জেলায় সংরক্ষিত মহিলা আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে দলীয় অঙ্গনে আলোচনা জোরদার হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্থানীয় নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশ সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে অধ্যাপিকা লায়লা ইয়াসমিনকে দেখতে চাওয়ার কথা জানিয়েছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন। শিক্ষা জীবন থেকেই নেতৃত্বে যুক্ত থাকা লায়লা ইয়াসমিন পটুয়াখালী সরকারি কলেজের সাবেক ছাত্রী মিলনায়তনের সম্পাদিকা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে জেলা রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে তিনি পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
দলীয় রাজনীতিতে নারীদের সংগঠিত করার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে জানান স্থানীয় নেতারা। তিনি জেলা মহিলা দলের সাবেক আহ্বায়ক এবং কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি পটুয়াখালীতে জাতীয় মহিলা সংস্থার সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
নেতাকর্মীদের ভাষ্য, আন্দোলন-সংগ্রামমুখী রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং দলীয় আদর্শে অটল অবস্থানের কারণে লায়লা ইয়াসমিন সংরক্ষিত মহিলা আসনের জন্য যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হতে পারেন। বিশেষ করে নারীর অধিকার, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশ্নে তার অবস্থান ইতিবাচক বার্তা দেবে বলেও তারা মনে করেন।
এ বিষয়ে অধ্যাপিকা লায়লা ইয়াসমিন বলেন, “দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে দায়িত্ব প্রদান করে, তাহলে পটুয়াখালীর মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করবো। নারীর শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করাই হবে আমার অগ্রাধিকার।”
তিনি আরও বলেন, “আমি সবসময় দলীয় শৃঙ্খলা ও আদর্শকে প্রাধান্য দিয়েছি। তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের ভালোবাসা ও সমর্থন আমাকে অনুপ্রাণিত করে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলীয় হাইকমান্ড নেবেন—আমরা সেই সিদ্ধান্তই মেনে নেবো।”
তবে এ বিষয়ে এখনো দলীয়ভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। সংরক্ষিত মহিলা আসনের মনোনয়নকে ঘিরে জেলা বিএনপির অভ্যন্তরে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
