ঢাকা নগরীর ফুটপাত এখন চলার পথ নয়, অস্থায়ী বাণিজ্যিক কেন্দ্র

শেয়ার করুন

রাজধানী ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের গড়ে উঠা ফুটপাতগুলো এখন চলার পথ নয়, যেন এক অস্থায়ী বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ঢাকার ফুটপাতের দৈর্ঘ্য আনুমানিক প্রায় ৪৩০ থেকে ৫০০ কিলোমিটার। নগরীজুড়ে অন্তত ৩ থেকে ৪ লাখ হকার কোনো না কোন ধরনের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। কেউবা পেশাদার ব্যবসায়ী এবং দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসার করেন।

অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালী চক্র এবং শক্তিশালী সিন্ডিকেটের সদস্যরা ফুটপাতের হকারদের কাছ থেকে বছরে প্রায় ২ হাজার ১৬০ কোটি টাকার অধিক পরিমাণ চাঁদা আদায় করে।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, এ অর্থ বিভিন্ন স্তরে ভাগ হয় এবং একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট এ প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের গড়ে উঠা অবৈধ ফুটপাত গুলো বাণিজ্যিক কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হয়েছে। তারপরও সর্বদা উচ্ছেদ আতঙ্কে থাকে ফুটপাত ব্যবসায়ীরা। সারা দেশে ৩৮৪৯ চাঁদাবাজ সক্রিয় রয়েছে। তার মধ্যে ঢাকা মহানগর এলাকায় চাঁদাবাজ রয়েছে ১২৫৪ জন। বাকি ২৫৯৫ জন চাঁদাবাজ রয়েছে দেশের ৬৪টি জেলায়। এর মধ্যে ঢাকায় ১৫৪ জন এবং গাজীপুরে রয়েছে ৩৪জন। খবর একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তথ্য সূত্রের।

তথ্য অনুসন্ধান ও নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রভাবশালী চক্রের মাধ্যমে ফুটপাত দখল ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। দখল ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিরোধে সক্রিয় রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সড়কে চলাচলরতদের অভিযোগ, ফুটপাত এখন চলার পথ নয়, অস্থায়ী বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এ কারণে পথচারীরা ফুটপাত ছেড়ে সড়কে হাঁটতে বাধ্য হচ্ছে, ফলে সড়কে তৈরি হচ্ছে ব্যাপক যানজট।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কোনো ধরনের উৎসব এলেই নগরীর ফুটপাতজুড়ে প্রচন্ড ভিড় বাড়ে; রাজনৈতিক, প্রশাসনিক কিংবা পেশিশক্তির ক্ষমতার জোরে গজিয়ে ওঠে নিত্য নতুন দোকানপাট। নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিয়ে দোকান বসানো হলেও দৈনিক, মাস- সপ্তাহ- ভিত্তিক চাঁদা দিতে হয় ফুটপাতের ছোট্ট- বড় (ক্ষুদ্র) ব্যবসায়ীদের। তারপরও সর্বদা উচ্ছেদ আতঙ্ক। বিভিন্ন দল, গ্যাং, সংগঠন, পুলিশ-প্রশাসন ও অমুক ভাই-তমুক ভাই প্রতিদিন চাঁদা নিতে আসে; তবু স্বস্তি নেই। অনেকে আবার চাঁদা দিতে আগ্রহী, কারণ তাহলে নিরাপদে ব্যবসা করা যায়। ঈদ বা যেকোনো উৎসবের আবহে ফুটপাত হয়ে ওঠে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও লাভজনক বাণিজ্যস্থল। ক্রেতারা ফুটপাতে গিয়ে অল্পদামে জিনিস কিনতে পারেন। আর বিক্রেতারা অল্প লাভে বেশি পণ্য বিক্রি করার সুযোগ পান। বিপুল পরিমাণ চাঁদার লেনদেনও হয় ফুটপাতেই। প্রতি দোকান থেকে প্রতিদিন ৫০, ১০০, ২০০,৪০০ ও ৫০০ টাকা বা আরও বেশি চাঁদা ওঠানো হয়। চাঁদাবাজি ও ফুটপাতের দখল ঠেকানোই পুলিশের কাজ। তবে এ কাজ বাস্তবে কতটুকু হয়, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। রাজধানীর উত্তরার ফুটপাতের একাধিক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ প্রতিবেদককে বলেন, টাকা দিয়ে দোকান বসালেও প্রতিদিনই চাঁদা দিতে হয়; মাঝেমধ্যে কিংবা প্রতিনিয়ত পুলিশের উচ্ছেদ অভিযানের কবলেও পড়তে হয় তাদের। তারা বলেন, চাঁদা দিয়ে কেন ফুটপাত ছাড়ব? তাই উচ্ছেদের পর আবার ফুটপাত দখল করেন ব্যবসায়ীরা।

সম্প্রতি রাজধানীর বেশ কয়েকটি ফুটপাত মার্কেট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। এছাড়া ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এমন তথ্য চিত্র গণমাধ্যম উঠে এসেছে।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, ঢাকা -১৮ আসনের ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়ক উভয় পাশ এবং অধিকাংশ রাস্তাঘাট জুড়ে রয়েছে অবৈধ ফুটপাত। অভিজাত উত্তরা মডেল টাউন, মতিঝিল, পল্টন, কারওয়ান বাজার, গুলিস্তান, ফার্মগেট, বায়তুল মোকাররমের উত্তর ও পশ্চিম পাশের ফুটপাত দখল করে ছোট-বড় জামাকাপড়ের দোকান রয়েছে। নিউ মার্কেট, মিরপুর, ১০, ১, ও ২সহ ঢাকার ২০টি সংসদীয় আসনের বিভিন্ন এলাকায় সারা বছর রাস্তার দুই পাশে খাট বিছিয়ে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করতে দেখা যায়। এছাড়া মিরপুর-১০ নম্বর গোল চত্বরের চারপাশের ফুটপাতে ব্যবসায়ীদের নৈরাজ্য চলে। ফুটপাত দখলে থাকায় রাস্তায় হাঁটতে হয় পথচারীদের। সড়কের অর্ধেকও হকারদের দখলে। কিছু অসাধু মানুষ চাঁদা নিয়ে ফুটপাত বা রাস্তায় দোকান বসায়। এ চাঁদাবাজদের ধরলে ফুটপাতের ব্যবসা বন্ধ হবে, পথচারীদেরও স্বস্তি মিলবে। সেখানে প্রতিটি দোকান থেকে বিভিন্ন ধাপে চাঁদা দিতে হয় ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের। সেখানে ফুটপাত দখল করে ভাড়াও দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রায়ই অভিযানের কবলে পড়েন ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে উত্তরার আব্দুল্লাহপুর থেকে কুড়িল বিশ্বরোড পর্যন্ত বিস্তীর্ণ ফুটপাতে প্রতিদিন বিকেলে হাজার হাজার দোকান বসে। বুধবার, শুক্রবারও শনিবার হলে দোকান বেড়ে দ্বিগুণ হয়। সেখানকার ভাসমান বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিভিন্ন ধাপে প্রতিদিন দোকানপ্রতি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা চাঁদা দিতে হয়।

বিশেষ করে উত্তরা সোনারগাঁও জনপথ সড়কের উভয় পাশে ব্যাঙ্গের ছাতার মতো নামে বেনামে গড়ে উঠা কয়েকশত ফার্নিচার দোকান, ফুটপাত, কাঁচাবাজার, লেগুনা গাড়ি, হাজার হাজার ব্যাটারীচালিত অটোরিকশা, মদের বার, ক্লাবের নামে জুয়ার আসরের কোটি কোটি টাকা চাঁদা তোলা হয়। এতো পরিমাণ টাকা যায় কোথায়? কে খায় এই টাকা। কারা পায় চাঁদার ভাগবাটোয়ারা। এর আসল গডফাদার কে?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী এ প্রতিবেদককে বলেন, এখানে রীতিমতো চাঁদা তোলার বাহিনী রয়েছে। রাস্তায় ফাঁকা স্থানে মোটরসাইকেল কিংবা প্রাইভেটকার রাখলেও টাকা দিতে হয়।
ব্যবসা করতে হলে তো টাকা দিতে হবেই। টাকা দিলে ব্যবসা ভালোভাবে করা যায়। কেউ ডিস্টার্ব করে না।

একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রভাবশালী চক্রের মাধ্যমে ফুটপাত দখল ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। দখল ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিরোধে সক্রিয় রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সড়কে চলাচলরতদের অভিযোগ, ফুটপাত এখন চলার পথ নয়, অস্থায়ী বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এ কারণে পথচারীরা ফুটপাত ছেড়ে সড়কে হাঁটতে বাধ্য হচ্ছে, ফলে সড়কে তৈরি হচ্ছে ব্যাপক যানজট। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ফুটপাত ব্যবসায়ী বলেছেন, ফুটপাতে চাঁদাবাজির জন্য লাইনম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়। রাজনৈতিক দল বা বিভিন্ন নেতাদের নামে তারা টাকা তুলে ভাগ করে দেয়। লাইনম্যানদের কিছু বলা যায় না, তাদের পিছে রাঘব বোয়ালরা কাজ করে। তারা ‘চাকরি’ করে বলে কিছু বলার থাকে না।

এদিকে ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, রাজধানী ঢাকার ফুটপাতের দৈর্ঘ্য ৪৩০ কিলোমিটার। সেখানে অন্তত তিন লাখ হকার ব্যবসা করেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালী চক্র হকারদের কাছ থেকে বছরে প্রায় ২ হাজার ১৬০ কোটি টাকা চাঁদা আদায় করে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, এ অর্থ বিভিন্ন স্তরে ভাগ হয় এবং একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট এ প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের গত ২ মার্চ, ২০২৬ পুলিশের নবনিযুক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের কড়া বার্তা দিয়েছেন। এরপর গত ৪ মার্চও ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সদর দপ্তরে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের তালিকা প্রস্তুত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তার নির্দেশনার পরই মাঠপর্যায়ে তালিকা তৈরির কাজ জোরদার করা হয়। একই সঙ্গে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও দাগী আসামিদের একটি পৃথক স্বচ্ছ তালিকাও প্রস্তুত করা হচ্ছে। এছাড়া ৪ মার্চ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, সারা দেশে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের তালিকা করে আইনের আওতায় আনা হবে। ঢাকা মহানগর পুলিশকে এ ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নগরীর কয়েকটি এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে এবং পুলিশের দেওয়া তথ্যে দেখা গেছে, চাঁদাবাজরা নিজেদের ক্ষমতাসীন দল ও তাদের অঙ্গ-সংগঠনের কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে চাঁদা দিচ্ছে। তেজগাঁও থানার ১০৫ জন চাঁদাবাজের ৪৫ জনই হচ্ছে কারওয়ান বাজার কেন্দ্রিক। সূত্র জানায়, উত্তরার আব্দুল্লাহপুর মাছ বাজার, কামারপাড়া, স্ল্যুইটগেইট, আজমপুর, সোনারগাঁও জনপথ সড়কের বিশাল ফার্নিচার মার্কেট, খিলক্ষেত, মিরপুর মাজার সংলগ্ন মুক্তিযুদ্ধা মার্কেট এর সামনে কাঁচা বাজার, সদরঘাটক, কারওয়ানবাজার, যাত্রা বাড়ীর মাছ বাজার প্রমুখ।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)র এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানান, তারা ডিএমপির আটটি ক্রাইম জোনের ভিত্তিতে ১২৫৪ জন চাঁদাবাজের একটি ডাটা তৈরি করেছেন। ঢাকা নগরীর তেজগাঁওলে শিল্পাঞ্চল এলাকায় ৪৪, তেজগাঁওয়ে ১০৫, শেরে বাংলা ১৩. মোহাম্মদপুরে ২২. আদাবরে ৪. তুরাগে ১২, উত্তরা পশ্চিম থানায় ১৩, উত্তরা পূর্ব থানা এলাকায় ১৪. উত্তর খানে ১৭, দক্ষিণখানে ১২. বিমানবন্দরে ২, গুলশানে ১৪, খিলক্ষেতে ১৫, ভাটারায় ভাড্ডায় ৪, বনানীতে ১৫, ভাষানটেকে ৪, মিরপুরে ১২২, পল্লবীতে-৩৩, রুপনগরে-১২, শাহ আলীতে ১৬. রমনা ১২. শাহবাগে ১৪. কলাবাগানে এউ মার্কেটে ৩৩, ধানমন্ডিতে ১২, রমনায় ১৪. হাজারীবাগে ৫৪, মতিঝিলে ৩৪. পল্টনে ৩৭. শাহজাহানপুরে ২২, সবুজবাগে ২৪. মুগদায় ১৩, খিলগাঁওয়ে ২৩. রামপুরায় ২৩. কদমতলীতে ২৩, ডেমরায় ১২. যাত্রাবাড়ীতে ৩৪, লালবাগে ৪৫, গেন্ডারিয়ায় ৬, শ্যামপুরে ৫৫. কোতোয়ালীতে ৩৩, সূত্রাপুরে ২৩, বংশালে ৩৪, চকবাজারে ৪৪. লালবাগে ৩৪ ও কামরাঙ্গীরচর এলাকার ২৩ জনের নাম রয়েছে। তবে, ডিএমপির ৫০টি থানার মধ্যে কয়েকটি থানার চাঁদাবাজদের নামের তালিকা পুরোপুরি জানা যায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সেটি জানার চেষ্টা করছেন।

এবিষয়ে ফুটপাত দখল ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কঠোর বলে জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, চাঁদাবাজির অভিযোগ পেলেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। চাঁদাবাজিতে জড়িত ব্যক্তির পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয় না। দখল ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি।

ডিএমপির পুলিশের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, নতুন ও পুরানো চাঁদাবাজরা কোথায় আছে সেটিও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। তালিকাভুক্তদের বেশিরভাগের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা আইনি প্রতিকার চাইলে তাদের সুরক্ষা দেওয়া হবে। চাঁদাবাজি বন্ধে ডিএমপি বদ্ধপরিকর।

এব্যাপারে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ও সচেতন নাগরিকদের দাবি- অচিরেই সঠিক ও সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে চাঁদাবাজদের নাম প্রকাশ করে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার জন্য বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ,পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, ডিএমপি কমিশনারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নগরবাসি।


শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত