আলোকিত বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শামীম সিদ্দিকী’র বিরুদ্ধে মানহানীর মামলা

শেয়ার করুন

দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শামীম সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে মানহানীর মামলা দায়ের করেছেন ঢাকা আহছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমান। (ওঘ ঞঐঊ ঈঙটজঞ ঙঋ ঔঙওঘঞ উওঝঞজওঈঞ ঔটউএঊ,৪ঃয ঈঙটজঞ,উঐঅকঅ) গড়হবু ঝঁরঃ ঘড়-০৫। এতে মামলা দায়ের করার তারিখ রয়েছে ০৩ মে ২০২৬।
প্রফেসর ড.গোলাম রহমান মামলায় অভিযোগ করেছেন তার বিরুদ্ধে অনলাইন নিউজ পোর্টাল ডেইলি খবরে মানহানীকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে তাই তিনি সংক্ষুদ্ধ হয়ে এ মামলা করেছেন। আদালত থেকে সমনজারির কপি আসছে। মান উদ্ধারের জন্য সুপ্রিমকোর্টের অ্যাডভোকেট কাজী একলাসুর রহমানকে সাথে নিয়ে আদালতের দ্বরস্থ হয়েছেন গোলাম রহমান।

এদিকে মামলা সম্পর্কে জানতে চাইলে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শামীম সিদিদ্দকী জানান দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশে ৮ম ওয়েজ বোর্ডে আমার স্থায়ী চাকরি, চাকরি থেকে পদত্যাগ করিনি,চাকুরিচ্যুতও করা হয়নি। বকেয়া বেতন চাইলেই হামলা-মামলার ভয়-ভীতি দেখানো হয়।

দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ ঢাকা আহছানিয়া মিশনেরই সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম সম্পাদক ও প্রকাশক। তিনি গত ২ বছরের অধীক সময় আগে পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশকের পদ থেকে পদত্যাগের কথা বলা হলেও তার নাম পত্রিকার প্রিন্টার্স লাইনে গোলাম রহমান এখনো ছাপছেন। কিন্তু কাজী রফিকুল আলম কিছুই জানেননা। জনাব কাজী রফিক গুরুতর অসুস্থ, প্রায় অর্ধমৃত।

এই সুযোগে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমান পত্রিকাটির সমস্ত দায়দায়িত্ব নিয়ে পৃথকভাবে প্রাইম ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলে চেক স্বাক্ষরের মাধ্যমে তার হিসাব রক্ষক আজাদকে দিযে কোটি কোটি টাকা সরিযে নিয়েছেন। এখনো নিচ্ছেন।

টাকা সরিয়ে নিচ্ছেন কিন্তু আমার বকেয়া পাওনা দিচ্ছেননা। কোনো কারন ছাড়াই তার হিসাবরক্ষক মো: আবুল কালাম আজাদকে নির্দেশ দিয়ে ২ বছরের অধীক সময় আমার বেতন-ভাতা বন্ধ রেখেছেন। গোলাম রহমানের অতীত এবং বর্তমানের এসব অপরাধমুলক কর্মকান্ড ধারাবাহিকভাবে ডেইলি খবরে প্রকাশ হতে থাকলে এসব রিপোর্ট আমি করিয়েছি ধারনা নিয়ে তিনি সংক্ষুদ্ধ হযে আমার বিরুদ্ধে এই মানহানী মামলা দাযের করেন।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে প্রফেসর ড. গোলাম রহমানের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তার কোনো জবাব পাওয়্ াযায়নি।

উল্লেখ্য-দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ নিয়ে বিগত ১২ বছরে সাংবাদিকদের বকেয়া পাওনা আদায়সহ নানারকম কার্যকলাপ নিয়ে সাংবাদিকদের ট্রেড ইউনয়নের মাধ্যমে বহুবার ঘেরাও আন্দোলনের মুখে পড়েছে পত্রিকাটি।


শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত