আমতলীতে মসজিদ ও ইউনিয়ন পরিষদসহ চার প্রতিষ্ঠানে চুরি

শেয়ার করুন

আমতলী উপজেলার ঘোপখালী মসজিদ, আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন পরিষদ, ঘোপখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শানু হাওলাদারের দোকান চুরি হয়েছে। চোর চক্র প্রতিষ্ঠানগুলোর তালা ভেঙ্গে ল্যাপটপ, নগদ টাকা ও সিগারেট নিয়ে গেছে। একই রাতে চারটি প্রতিষ্ঠানের চুরির ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। ঘটনা ঘটেছে আমতলী উপজেলার ঘোপখালী এলাকায় শুক্রবার দিবাগত গভীর গভীর রাতে।

জানাগেছে, আমতলী উপজেলার আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে সঙ্গবদ্ধ চোর চক্র দীর্ঘদিন ধরে চুরি করে আসছে। কিন্তু পুলিশ প্রশাসন তাদের গ্রেপ্তারে সক্ষম হচ্ছে না। শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে চোর চক্র ঘোপখালী জামে মসজিদ, আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন পরিষদ, ঘোপখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শানু হাওলাদারের দোকানের তালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে। তারা প্রতিষ্ঠানগুলোর আলমিরা ভেঙ্গে আসবাবপত্র তছনছ করে। চোর চক্র আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একটি ল্যাপটপ, ২০ হাজার টাকা, ঘোপখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে একটি ল্যাপটপ, নগদ ২০ হাজার টাকা, মসজিদের আলমিরা ভেঙ্গে টাকা ও দোকান থেকে বেশ কিছু সিগারেট নিয়ে গেছে।

ঘোপখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাঃ মোর্শ্বেদা বেগম বলেন, চোর চক্র বিদ্যালয়ের তালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে আলমিরা ভেঙ্গে একটি ল্যাপটপ এবং নৈশ প্রহরীর রাখা নগদ ২০ হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছি।
আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ জাকির হোসেন বলেন, পরিষদের একটি কক্ষ ছাড়া সকল কক্ষের তালা ভেঙ্গে প্রবেশ করে সকল আলমিরা ভেঙ্গে গুরুত্বপুর্ণ কাগজপত্র নছনছ করে রেখে গেছে। তারা একটি ল্যাপটপ ও নগদ ২০ হাজার টাকা নিয়েছে।
আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোসাঃ সোহেলী পারভীন মালা বলেন, চোরচক্র গুরুত্বপুর্ণ কাগজপত্র নিয়ে গেছে। ওই কাগজপত্রের কিছু পথে পাওয়া গেছে।

আমতলী থানার ওসি মোঃ ইয়াকুব আলী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। দ্রুত সময়ের মধ্যেই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।


শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত