কিশোরগঞ্জে অভিযানে ৪ খাদ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড

শেয়ার করুন

কিশোরগঞ্জে অভিযান চালিয়ে চার খাদ্য ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিককে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত।

শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত জেলার কিশোরগঞ্জ সদর, কটিয়াদী, পাকুন্দিয়া ও কুলিয়ারচর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিরাপদ খাদ্য আইনে সংক্ষিপ্ত বিচারিক প্রক্রিয়ার (সামারি ট্রায়াল) মাধ্যমে এই বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত পরিচালনা করা হয়।

বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের নেতৃত্ব দেন কিশোরগঞ্জ বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন-কিশোরগঞ্জ জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর শংকর চন্দ্র পালসহ পুলিশ, র‍্যাব ও আনসার ব্যাটালিয়নের একটি করে চৌকস দল।

বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত জেলার কিশোরগঞ্জ সদর, কটিয়াদী, পাকুন্দিয়া ও কুলিয়ারচর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বিভিন্ন খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত পরিচালনা করা হয়। এই সময় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত ও মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর রঙ ব্যবহারের অপরাধে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল বাজারে অবস্থিত তাসিন ফুডকে দুই লাখ টাকা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, অননুমোদিত রঙের ব্যবহার ও নিরাপদ খাদ্য আইনের অন্যান্য ধারা লঙ্ঘনের দায়ে কটিয়াদী উপজেলার গচিহাটা বাজারে অবস্থিত চাঁদ ফুড প্রোডাক্টসকে এক লাখ টাকা, অনিবন্ধিত অবস্থায় খাদ্য উৎপাদনের দায়ে পাকুন্দিয়া উপজেলার মাইজহাটি বাজারে অবস্থিত সোনার মদিনা ফুড প্রোডাক্টসকে এক লাখ টাকা ও পচা ডিম, অননুমোদিত রঙ ব্যবহারসহ অন্যান্য অপরাধে কুলিয়ারচর উপজেলার দ্বাড়িয়াকান্দি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত হোযাইফা বেকারীকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন কিশোরগঞ্জ বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম। এছাড়াও অভিযানে অননুমোদিত রঙ জব্দ করে জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।

জনস্বার্থে এই ধরনের বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।


শেয়ার করুন

Similar Posts