৩ গোলে এগিয়ে প্রথমার্ধ শেষ ব্রাজিলের
মাতেউস কুনিয়ার জোড়া গোল আর ভিনি জুনিয়রের দারুণ এক ফিনিশে ভর করে সেলেসাওরা প্রথমার্ধেই ৩-০ গোলে এগিয়ে গেছে। যেভাবে দলটা খেলছে দ্বিতীয়ার্ধে সংখ্যাটা দ্বিগুণ হয়ে যাওয়াটাও অস্বাভাবিক ঠেকছে না!
পাকেতার পাস থেকে বক্সে ঢুকে গোলরক্ষককে একা পেয়ে গিয়েছিলেন ভিনি জুনিয়র। সেখানে তিনি কোনো ভুল করেননি। দারুণ এক ফিনিশ করেছেন তাকে ফাঁকি দিয়ে। প্রথম দুই গোলের কারিগর ছিলেন ভিনি। তার গোলটা তখন থেকেই আসি আসি করছিল। এবার সেটা এসেই গেল প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে।
ব্রাজিল ৩-০ হাইতি
চোটের শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিলেন রাফিনিয়া। ৩০ সেকেন্ডের মতো সময় তাকে মাঠে বসেও থাকতে দেখা গেল।
তাকে নিয়ে কোনো ঝুঁকি নিলেন না কোচ কার্লো আনচেলত্তি। সঙ্গে সঙ্গে তুলে নিলেন তাকে। তার জায়গায় মাঠে এলেন রায়ান।
ম্যাচের ৩৬ মিনিটে দ্বিতীয় গোলের দেখা পেয়ে গেল ব্রাজিল। মাঝমাঠে বল বলের দখল নিয়েছিলেন ভিনি জুনিয়র। তিনি খুঁজে নিলেন বক্সে এগোতে থাকা মাতেউস কুনিয়াকে। তিনি বক্সে এগিয়ে গিয়ে বাম পায়ের দারুণ ফিনিশে বল জড়ালেন হাইতির জালে।
অবশেষে প্রথম গোলের দেখা পেয়ে গেল ব্রাজিল। ভিনি জুনিয়রের শট হাইতি গোলরক্ষক জনি প্লাসিদে ঠেকিয়ে দেন, তবে তার সামনে থাকা মাতেউস কুনিয়ার শটটা গিয়ে জড়ায় জালে। ব্রাজিল ২৩ মিনিটে এগিয়ে গেল এই ম্যাচে।
গোলরক্ষককে একা পেয়েও গোল হলো না রাফিনিয়ার
হাইতির হাইলাইনকে ফাঁকি দিয়ে বিপজ্জনক জায়গায় বল পেয়ে গিয়েছিলেন রাফিনিয়া। গোলরক্ষক এগিয়ে এসে তাকে থামাতে চেয়েছিলেন, এবং তাতে সফলও হলেন। গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বলটা চিপ করতে গিয়ে রাফিনিয়া বলটা মেরে দিলেন পোস্টের অনেক বাইরে দিয়ে। গোল হলো না ব্রাজিলের।
রোনালদো আর রোনালদিনিও… ব্রাজিলের সবশেষ বিশ্বকাপজয়ের দুই নায়কও আজ হাইতি ম্যাচে হাজির হয়েছেন।
এবার হাইতির আক্রমণও কাটা পড়ল অফসাইডে
ডান পাশ থেকে আক্রমণে উঠে গিয়েছিল হাইতি। ক্রসটা ঠিকঠাক হলে গোলের সুযোগও তৈরি হতে পারত। তবে সে আফসোসের সুযোগ রইল না ব্রাজিলের প্রতিপক্ষের। কারণ গোল হলেও সেটা কাটা পড়ত অফসাইডে। ডান পাশ থেকে রেফারি উঁচিয়ে ধরেছেন তার পতাকা।
রাফিনিয়ার গোলে বাতিল হলো অফসাইডে
ডান পাশ থেকে আক্রমণে উঠে এসেছিল ব্রাজিল। সেখান থেকে রাফিনিয়ার দারুণ ফিনিশ জড়িয়েছিল জালে। তবে এরপরও দলটি গোলের দেখা পেল না, পাশে লাইন্সম্যান পতাকা উঁচিয়ে ধরেছেন, অফসাইড!
ব্রাজিল আজ খেলছে অ্যাওয়ে কিট পরে
প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলকে দেখা গিয়েছিল চিরচেনা হলুদ পোশাকে। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে তারা নেমেছে তাদের অ্যাওয়ে কিট নীল জার্সিতে।
এই জার্সির নকশাটি ‘ব্লু পয়জন ডার্ট ফ্রগ’ (নীল বিষাক্ত ব্যাঙ)-এর ত্বক এবং এর সতর্কীকরণ রঙের আদলে তৈরি করা হয়েছে। এটি মাঠে ব্রাজিলের ভয়ঙ্কর ও বিপজ্জনক উপস্থিতিকে নির্দেশ করে।
জার্সির উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলিয়ে ব্রাজিল আজ ‘বিষাক্ত’ রূপে ফিরতে পারবে তো?পারেননি।
