শিবির নেতা হত্যা, অভিযুক্ত যুবদল নেতার বাড়িতে আগুন-ভাঙচুর
গাইবান্ধার সাঘাটায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বে বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ বারী হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত যুবদল নেতা মুকুলের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা।
রোববার (২১ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, হত্যার বিচারের দাবিতে বোনারপাড়া সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল করে এলাকাবাসী ও নিহত সাইফুল্লাহর স্বজনরা। পরে তারা মুকুলের বসতঘরে আগুন দেয় এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এর আগে, রোববার স্কুল কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে মুকুল ও তার ভাই পলাশের হামলায় বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ বারী নিহত হন। ঘটনায় তার বন্ধু সালাউদ্দিন গুরুতর আহত হন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মুকুল বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি ছিলেন।
তবে তাকে ইতোমধ্যে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে রোববার রাত বারোটার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করছেন গাইবান্ধা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক ভুট্টু।
সাঘাটা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, শিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী হত্যায় অভিযুক্ত মুলুক ও পলাশের বসতবাড়িতে বিক্ষুব্ধ জনতা রোববার রাত সাতটার দিকে আগুন ধরিয়ে দেন। আমরা খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে যাই। এর মধ্য আগুন ছড়িয়ে পড়ে। মুকুলসহ তার প্রতিবেশীর বেশ কয়েকটি ঘর পুড়ে গেছে।
তিনি বলেন, ২২ সদস্যের একটি টিম আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় আমরা আগুন নেভাতে সক্ষম হই। এ সময়ের আগুনে বাড়ি-ঘরের প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে প্রায় ১৫ লাখ টাকার সম্পদ ক্ষয়-ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) পবিত্র কুমার বলেন, খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আশরাফ নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জড়িত অন্যান্যরা পলাতক রয়েছেন, তাদেরকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
