প্রস্তুত শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান, ঈদ জামাত সকাল ৯টায়

শেয়ার করুন

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে দেশের সর্ববৃহৎ ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৯টায় শুরু হবে এই ঈদ জামাত।

রেওয়াজ অনুযায়ী জামাত শুরুর আগে মুসল্লিদের সংকেত দিতে শর্টগানের ছয়টি ফাঁকা গুলি ছোঁড়া হয়। তিনটি জামাত শুরুর পাঁচ মিনিট আগে, দুইটি তিন মিনিট আগে এবং শেষটি জামাত শুরুর ১ মিনিট আগে ছোঁড়া হয়।

এবারের ১৯৯ তম ঈদুল আজহা জামাতে ইমামতি করবেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ ছাইফুল্লাহ।

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) সোহানা নাসরিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ কমিটির পক্ষ থেকে কিশোরগঞ্জবাসীসহ সারাদেশের মুসল্লিদের ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়ে শোলাকিয়ায় ঈদগাহে ঈদের নামাজে শরিক হতে আহবান জানানো হয়েছে।

এদিকে মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে ঈদ জামাতের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করা হয়। এই সময় উপস্থিত ছিলেন-কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর উপজেলা) আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক (ডিসি) সোহানা নাসরিন ও পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমানসহ আরো অনেকেই।

প্রশাসন জানায়, শোলাকিয়া ঈদের জামাতকে কেন্দ্র করে পুরো কিশোরগঞ্জ শহর জুড়ে নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে সিসি ক্যামেরা, ড্রোন ক্যামেরা, ওয়াচ টাওয়ার ও বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনসহ সব মিলিয়ে চারস্তর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ থাকবে। এখানে এমন একটা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় প্রস্তুত করা হয়েছে যাতে সাধারণ মানুষ নি:সংকোচে ঈদগাহ মাঠে আসতে পারেন।

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে ঐতিহাসিক এই ঈদগাহ মাঠে নামাজের জন্য সকলে আসবেন বলে প্রত্যাশা করেন কিশোরগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

শোলাকিয়া ঈদগাহে নামাজ আদায়ের সুবিধার্থে ঈদের দিনে কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ ও ভৈরব-কিশোরগঞ্জ রুটে শোলাকিয়া এক্সপ্রেস নামে দুইটি স্পেশাল ট্রেন চলাচল করবে।

স্থানীয়দের মতে, ১৮২৮ সালে এই মাঠে ঈদের জামাতে সোয়া লাখ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করেছিলেন। সেই থেকে এই মাঠের নাম হয় ‘সোয়া লাখিয়া’, এরপর ধীরে ধীরে সেই ‘সোয়া লাখিয়া’ পরিচিত হয়ে ওঠে শোলাকিয়া নামে।


শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত